মেটা পলিটিক্যাল এডস যেভাবে কাজ করে

মেটা পলিটিক্যাল এডস যেভাবে কাজ করে

বর্তমানে আমেরিকা, ভারত সহ বেশ কিছু দেশে সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন এবং সোস্যাল মিডিয়াকে তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করেছে। তারা রিসার্চ করেছে যে, তাদের পটেনশিয়াল ভোটার কোথায় কোথায় বেশি এক্টিভ থাকে, যার রিসেন্ট প্রমাণ আমেরিকার ইলেকশন এবং ট্রাম্পের জয়।

তবে কথা হচ্ছে, তারা সঠিক জায়গায় ইনভেস্ট করতে ভয় পাইনা কিন্তু আমাদের দেশে সঠিক জায়গায় ইনভেস্ট করতে ভয় পাই, কৃপণতা দেখায়। কিন্তু কোটি কোটি টাকা খরচ করে যেখানে আসলে তেমন খরচ করার কথা নই।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া হচ্ছে “ফেইসবুক “, প্রায় ৫৬মিলিয়ন+ ব্যবহারকারী আছে। মজার কথা হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই প্রায় এক্টিভ থাকে। যার ফলাফল হচ্ছে রিসেন্ট “২৪ অভ্যুত্থান “

তবে ফেইসবুকে নির্বাচনী প্রচারণা করা ও সোস্যাল এডস রান করতে হলে আপনাকে মানতে হবে বেশ কিছু কঠিন নিয়ম। সাধারণ ফেইসবুক এডস এর মতো এটা রান করা যায় না। এটার জন্য ফেইসবুকে আলাদা ক্যাটাগরি আছে অর্থাৎ ” Social Issues,Election or Politics “. আপনি চাইলেও এসব নিয়ম না মেনে এডস দিতে পারবেন না কখনও। এই ধরনের কাজ একজন খুবই দক্ষ “ফেইসবুক টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ও ফেইসবুক এডস এক্সপার্ট ” ছাড়া কেউ পারবেন না। সাধারণত যেকোনো এডভার্টাইজার এই ব্যাপারে গভীর জ্ঞান না রেখে কাজ করতে গেলে পদে পদে বেশ ঝামেলার সম্মুখীন হতে হবে।

এই ধরনের এডস রান করতে হলে প্রথমে পেইজের এডমিন হতে হবে এবং আলাদা এড একাউন্ট সিলেক্ট করতে হবে অন্যদিকে সাধারণ এডস রানের ক্ষেত্রে পেইজের Task access দিলেই হয়ে যায়, কিন্তু পলিটিক্যাল এডসের ক্ষেত্রে এডমিন হতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনাকে দুইভাবে ভেরিফাইড হতে হবে এসব এডস রান করার জন্য। যেমনঃ

১. পার্সনাল আইডেন্টিটি ভেরিফাইড

২. আইডেন্টিটি ভেরিফাইড ফর পলিটিকাল এডভার্টাইজিং

এরপর মেটার কাছে একটা Disclaimer দিতে হবে যে, এই এডস এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনার, মেটা কোনভাবে এর দায় নেবে না, সেই সাথে আপনার নাম, ফোন নাম্বার, ইমেইল, বিজনেস এড্রেস সবকিছু দিতে হবে। তবে এই তথ্য গুলো পাবলিকে দেখতে পারবে অর্থাৎ কে বা কারা এডস রান করতেছে, সেই সাথে Estimated বাজেটও দেখতে পাবে Meta ads Library তে. এই সবকিছু সাবমিট করার পর এপ্রুভাল হলেই আপনি এডস রান করতে পারবেন, এর আগে পারবেন না।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাঃ আপনি যদি পলিসি বা নিয়ম না মেনে বারবার ভায়োলেশন করেন তাহলে আপনাকে পার্মানেন্ট রেস্ট্রিকটেড করতে পারে। এজন্য এই কাজগুলো একজন প্রফেশনাল বা প্রফেশনাল এজেন্সি দিয়ে করিয়ে নেওয়ায় বেটার।

উপরে বেশ কিছু ঝামেলার কথা ও প্রসেস বললাম। এগুলো সহজেও করা যায়, তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একটু রিসার্চ করতে হবে আরকি ।সবার লিস্টে বেশ কিছু পলিটিকাল পারসন আছে, বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন ভবিষ্যতের জন্য।

নিয়মিত আপডেট পেতে ফলো করুন A.M Faruk

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top